বিজ্ঞানী ডাল্টন কোন দেশের অধিবাসী
ক গ্রিস খ ভারত গ ব্রিটিশ ঘ রাশিয়া
১৫
১০ কোটি পরমাণুকে পাশাপাশি সাজালে কতটুকু লম্বা হয়
ক মাত্র দুই ইঞ্চি খ মাত্র দেড় ইঞ্চি
গ মাত্র এক ইঞ্চি ঘ মাত্র আধ ইঞ্চি
১৬
কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক
 নির্দিষ্ট আকার আছে  নির্দিষ্ট আয়তন আছে
 পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে বিশেষ ফাঁক থাকে
নিচের কোনটি সঠিক
১৭
অ্যাভোগেড্রোর মৃত্যুর পর কে অণুর ধারণাগুলোকে যথার্থ বলে প্রমাণ করেন
ক ল্যাভয়সিঁয়ে খ কনাদ গ ক্যানিজারো ঘ ডেমোক্রিটাস
১৮
১৮৮০ সালে পরমাণুর ধারণা দেন কে
ক ডালটন খ কনাদ গ ক্যানিজারো ঘ ডেমোক্রিটাস
১৯
পরামাণুর বৈশিষ্ট্য বহন করে কোন তথ্য
 পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা 
 রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে 
 পরমাণুকে ভাঙলে মৌলের অস্তিত্ব থাকে
নিচের কোনটি সঠিক
# পরবর্তী অংশ ছাপা হবে আগামীকাল
বেতন পাচ্ছেন না বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্র ও পিএইচটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
সরকারের রাজস্ব খাতভুক্ত জাতীয় বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্র ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পিএইচটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চলতি মাসসহ চার মাসের বেতন পাচ্ছেন না
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের টানাটানিতে প্রতিষ্ঠান দুটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এ অবস্থা হয়েছে
জানা গেছে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেহারা পাল্টে গেছে
এর সঙ্গে মিরপুরে অবস্থিত মানসিক প্রতিবন্ধীদের স্কুল হোস্টেল ও শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ কলেজ নিয়ে পরিচালিত বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রের দৃশ্যপট বদলে গেছে
মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনটি দি সোসাইটিস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০-এর অধীনে ১৯৯৯ সালের ১৬ নভেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ফাউন্ডেশনটি গঠন করা হয়
ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রতিবন্ধীবিষয়ক সব প্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে ফাউন্ডেশনের আওতায় নেওয়া হবে
তবে কী প্রক্রিয়ায় এটি করা হবে সে সম্পর্কে কোনো নীতিমালা বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি
ফাউন্ডেশন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রে কর্মরতরা  ফাউন্ডেশনের অধীনে যেতে ও বেতন নিতে বিভিন্ন সময় অস্বীকৃতি জানান
১৯৯০ সালে যাত্রা শুরু করে বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রটি
এটি ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত সমাজসেবার আওতায় ছিল
২০০১ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তা ফাউন্ডেশনের অধীনে যায়
পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফাউন্ডেশনকে পুনর্গঠন করে কেন্দ্রটিকে সমাজসেবার হাতে ন্যস্ত করে
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আবার একে ফাউন্ডেশনের আওতায় আনে
তারপর গত জুন মাস থেকে কর্মরতদের বেতন নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়
সমপ্রতি এ কারণে এ কেন্দ্রের মোট ৩৭ জন কর্মচারী কর্মকর্তা দুজন হাইকোর্টে রিট করেছেন
গত রোববার ফাউন্ডেশন দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বেতন-ভাতা দিতে চাইলেও বেশির ভাগ কর্মচারী তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন
ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে সাহায্য মঞ্জুরি কোডে তাঁরা বেতন নেবেন না
পিএইচটি সেন্টারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁদের এ ধরনের অবস্থানের কথা জানিয়েছেন
ফাউন্ডেশনটি সরকারি না বেসরকারি এ ফাউন্ডেশনটি সরকারি না বেসরকারি সংস্থা তা নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় ফাউন্ডেশন গঠনের পর থেকেই
২০০২ সালে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুর রহমান খান এক চিঠিতে ফাউন্ডেশনকে চ্যারিটেবল সোসাইটি হিসেবে রেজিস্ট্রি হওয়ায় একে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন
একই বছরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের স্বাক্ষরিত অন্য এক চিঠিতে ফাউন্ডেশনকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রকে সমাজসেবার অধীনে ফিরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চিঠিতেও এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়
হাইকোর্টে রিট ফাউন্ডেশন থেকে বেতন-ভাতা না নেওয়ার জন্য শিক্ষাকেন্দ্রের মোট ৩৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বাদী হয়ে হাইকোর্টে রিট করেন
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ দুটি সিদ্ধান্ত কেন এখতিয়ারবহির্ভূত হবে না তা জানতে চেয়ে সমাজকল্যাণসচিবসহ অন্যদের প্রতি গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন
ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ অন্যদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে
ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী মো নুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন আইনগতভাবেই রুলের জবাব দেওয়া হবে
তিনি আরও বলেন ফাউন্ডেশন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান
তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ প্রতিষ্ঠানকে অবৈধভাবে এনজিও বানিয়েছিল
২০০১ সালেও এ ধরনের আদেশের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের তিনজন কর্মচারী হাইকোর্টে রিট করেন
বেতন-ভাতা না নেওয়াদের কথা প্রশাসনিক চাপ ও হুমকির কারণে রিট আবেদনকারীদের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর দুজন কর্মকর্তা গত সোমবার ফাউন্ডেশন থেকেই বেতন-ভাতা নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন
তবে বাকি ৩৫ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী বেতন নেওয়ার প্রক্রিয়ায় যাননি
রিট আবেদনকারীদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারী প্রথম আলোকে জানান ফাউন্ডেশনের অধীনে গিয়ে ফাউন্ডেশনের একটি কোডের মাধ্যমে বেতন নিতেন তাঁরা
তবে প্রভিডেন্ট ফান্ড কল্যাণ তহবিলের টাকা জমা দিতে তাঁদের হয়রানির শিকার হতে হতো
ফাউন্ডেশনের  ব্যবস্থাপনা  পরিচালক  গাজী মো  নুরুল কবীর বলেন ফাউন্ডেশন বেতন দিচ্ছে অনেকে বেতন নিচ্ছে
কেউ বেতনের বিল জমা না দিলে করার কিছু নেই
বেনারসি শাড়ি কিনতে বেনারসিপল্লিতে
এখানে রং-বেরঙের এত শাড়ি! শাড়ি দেখেই চোখ জুড়িয়ে যায়
শাড়ির এমন সম্ভার ঢাকার আর কোথাও নেই
এত শাড়ির মধ্যে অনায়াসেই একটি পছন্দ হয়ে যায়
তাই দেশীয় ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ ঝলমলে শাড়ি কিনতে আমরা মিরপুরের বেনারসিপল্লিতেই আসি
মিরপুরের বেনারসিপল্লিতে এক দোকানে শাড়ি দেখার ফাঁকে কথাগুলো বললেন একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিত্সক মাহমুদা বেগম
সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বুয়েট শিক্ষার্থী লামিয়া মাসুদ
ঈদ উপলক্ষে তাঁরা পছন্দের শাড়ি কিনতে এসেছেন ধানমন্ডি থেকে
মাহমুদা বেগম ও লামিয়ার মতো গত সোমবার রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আরও অনেকে শাড়ি কেনার জন্য বেনারসিপল্লিতে ভিড় করেন
এখানে শাড়ির দোকান আছে ৭২টি
ক্রেতারা শাড়ি দেখতে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে যাচ্ছেন শাড়ি দেখছেন
দোকানের কর্মচারীরা ক্রেতাদের দেখার সুবিধার্থে শাড়ি মেলে ধরছেন দেখাচ্ছেন নতুন আসা শাড়িও
পছন্দ হলে ও দামে বনলে ক্রেতারা শাড়ি কিনছেন
এমন দৃশ্যই গতকাল দেখা গেল এখানকার দোকানগুলোয়
বেনারসিপল্লির দোকানমালিক ও কর্মচারীরা জানান বাহারি সব বেনারসি শাড়িতে এখন দেশীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগ হয়েছে আধুনিক কারুকাজ
বেনারসিপল্লির অর্ধশতাধিক কারখানায় তৈরি হয় এসব শাড়ি
এসব কারখানায় কর্মরত আছেন প্রায় সাত হাজার তাঁতি ও কারিগর
তাঁরা তৈরি করেন প্রায় ৫০ রকমের বেনারসি শাড়ি
এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২৫ হাজার টাকা এমনকি এর চেয়ে বেশি দামের শাড়িও আছে এ পল্লির দোকানগুলোতে
কারিগরেরা জানান এখানকার শাড়ির সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে
এখানকার তৈরি শাড়ি বিদেশেও যায়
ভারতের বেনারস থেকে আসা কারিগরেরা এ শাড়ি তৈরি করেছেন বলে এর নাম হয়েছে বেনারসি
দোকান মালিক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন বেনারসি শাড়ির মধ্যে কাতান বেনারসি তশর জুট কাতান জরি নেট কলকা কাতান অপেরা কাতান মসলিন জামদানি ও জর্জেট বেনারসির কদর বেশি
পছন্দের শীর্ষে মসলিন জামদানি বেনারসিপল্লির তাঁতি ও কারিগরেরা জানান ক্রেতাদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে আছে মসলিন কাপড়ের ওপর জরির কাজ করা মসলিন জামদানি
তাঁরা বলেন কোরা সিল্কের ওপর জরির কাজ—এ রকম একটি শাড়ি তৈরি করতে তিনজন কারিগরের সাত থেকে ১০ দিন লাগে
এখানকার দোকানে এই শাড়ির খুচরা মূল্য সাড়ে সাত হাজার টাকা
দামে বেশি হলেও অপেরা কাতানও ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে
দাম ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা
কারিগরেরা জানান এই শাড়িতে প্রকৃত সিল্কের সঙ্গে একেবারে নিখুঁত জরির কারুকাজ করা হয়েছে
রোদ ও বৈদ্যুতিক বাতির আলো পড়লে এতে লাল নীলসহ নানা রং ফুটে ওঠে
জুট বেনারসিও ক্রেতাদের পছন্দ
এর জমিনজুড়ে সোনালি আঁশের আভা ফুটে ওঠে বলে এর নাম জুট বেনারসি
রং ও কাজের রকম ভেদে এ শাড়ির দাম পাঁচ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত
এ ছাড়া এবার খাড্ডি কাতান নামের নতুন একটি বেনারসি শাড়ি এখানকার দোকানগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে
বেনারসি কুঠির মালিক আবুল কালাম আজাদ ও দিয়া শাড়ির মালিক মোহাম্মদ কাশেম বলেন এই শাড়ির দাম ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু এবং সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত
শাড়ি কিনতে আসা প্রকৌশলী আবদুল হাই বলেন এখান থেকে শাড়ি কিনলে বাসার সবাই খুশি হয়
এই একই শাড়ি রাজধানীর বড় বড় বিপণিবিতানে এখানকার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়
এ কারণেও ক্রেতারা এখানে আসেন
ঘাট পরিদর্শনে নৌপরিবহনমন্ত্রী
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধি
